Year-19 # Issue-37 # 28 October 2012
ঈদের খুশিতে চাই নতুন টাকা
বশির হোসেন খান
ঈদের
খুশিতে চাই নতুন
টাকা। ঈদের দিন
ছোট-বড় সবাইকে নতুন টাকা দিতে
হয়। সদরঘাট দিয়ে বাড়ি
যাওয়ার উদ্দেশ্য হলো নতুন
টাকা কেনা। গুলিস্তানে নতুন টাকার দোকানের সামনে এ কথাগুলো বলছিলেন ব্যাংকার মোশাররফ। তার বাড়ি চঁাদপুর। ঈদে চকচকে নতুন
টাকা হাতে পেলে
খুশি হন না
এমন মানুষ খুঁজে
পাওয়া ভার। যত
জামা-জুতো বা
গরু-খাসি কেনা হোক ঈদের
বিশেষ আকর্ষণ নতুন টাকা।
বিশেষ করে ছোট ছেলেমেয়েরা নতুন টাকা
পেলে
ভীষণ খুশি হয়।
আর তাদের খুশি
বাড়িয়ে দিতেই নতুন
টাকা সংগ্রহ করেন বাড়ির
কর্তাব্যক্তিরা। নতুন টাকার
গন্ধও বড় চমত্কার। আর এ নতুন
টাকার ব্যবসাও বেশ
জমজমাট। গুলিস্তান সিনেমা হলের সামনে
নতুন টাকার পসরা
সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দুই, পাঁচ,
১০ থেকে
১০০০ টাকার নতুন
নোট
নিয়ে বসেছেন ইদ্রিস আলী। তিনি
জানান, প্রতি ঈদেই
পাবলিকের নতুন টাকা
কেনার
আগ্রহ থাকে। যে
যেমন
পান কিছু না
কিছু নতুন টাকা
কিনে নিয়ে যান।
বিশেষভাবে ১০ টাকার
নতুন নোট
দিয়ে দোকান সাজিয়েছেন মো.
আজাদ। তিনি বলেন,
এমন সাজের উদ্দেশ্য শুধু ঈদের গ্রাহক আকর্ষণের জন্য। তিনি
জানান, আমরা ব্যাংক থেকে নতুন
টাকা বের করে
আনতে অতিরিক্ত টাকা দিতে
হয়। আর ব্যাংকে লাইন ধরে দঁাড়িয়ে টাকা আনতে অনেক
সময় লাগে। সিরাজ
খান নতুন টাকা
কিনে নাকের কাছে
নিয়ে গন্ধ নেয়ার
চষ্টো করছেন। তিনি জানান,
পরিবারের সবার চাওয়া
ঈদের দিনে নতুন
টাকা। প্রতিবার নতুন টাকা
নিয়ে প্রথমে মায়ের হাতে
তুলে দিই। মা
ঈদের দিন সকালে
সবাইকে সালামি দেন।
মহাখালী থেকে
এসেছেন আবদুর রাজ্জাক। তিনি জানান, প্রতি
ঈদেই টাকা নিয়ে
যাই, তবে এবার
একটু বেশি
খরচ হচ্ছে। গুলিস্তানের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যবসায়ী মো. আসাদ
আলী বলেন, ব্যাংক থেকে টাকা
নিয়ে আসতে এবার
বেশি
খরচ হচ্ছে। তাই যে যেমন পাচ্ছে দাম রাখছে। এই কারণে
১০০ টাকার নোটের এক হাজার
বান্ডিল টাকার ৮০
টাকা, ৫০ টাকার নোটের বান্ডিল ৭০ টাকা,
হাজার টাকার নোটেও এ রকম বেশি
দিতে হচ্ছে।
Year-19 # Issue-36 # 21 October 2012
bvwdm †gŠjev`x‡`i
µxobK n‡j hy³ivó«‡K mn‡hvwMZv Ki‡e evsjv‡`k : ¯^ivó«gš¿x
wWdv‡i›U wbDR : ¯^ivó«gš¿x gwnDÏxb Lvb AvjgMxi
e‡j‡Qb, bvwdm hw` gvwK©b hy³iv‡ó« †Kv‡bv bvkKZvg~jK Kv‡Ri m‡½ RwoZ _v‡K Ges Zvi
cÖgvY hw` †`kwUi miKvi cvq Z‡e †m‡`‡ki cÖPwjZ AvB‡bB Zvi wePvi n‡e| †gŠjev`x‡`i
µxobK wn‡m‡e hw` †m KvR K‡i _v‡K Z‡e evsjv‡`k gvwK©b hy³ivó«‡K G wel‡q
mn‡hvwMZv Ki‡e| ïµevi we‡K‡j ivRavbxi Xv‡Kk¦ix gw›`‡i kvi`xq `yM©vcyRvi wbivcËv
e¨e¯’v m‡iRwgb cwi`k©‡bi mgq mvsevw`K‡`i GK cÖ‡kœi Rev‡e wZwb Gme K_v e‡jb| Z‡e
bvwd‡mi b¨vq wePvi cvIqvi e¨vcv‡i evsjv‡`k miKvi Zv‡K mn‡hvwMZv Ki‡e Kx bv Ggb cÖ‡kœ
Reve †`bwb wZwb|
ivgyi cÖm‡½ wZwb e‡jb, †hme e¨w³ wb‡R‡`i ¯^v‡_© H ˆckvwmK
Kv‡R nvZ w`‡q‡Q Zvi cybive…wË Avi NU‡ebv|hviv G NUbv NwU‡q‡Q Zv‡`i cÖPwjZ AvB‡b
m‡e©v”P kvw¯— †`Iqvi e¨e¯’v Kiv n‡e| ivgyi NUbv kvi`xq Drm‡e evav n‡q `vuov‡ebv| AvBb wb‡Ri
nv‡Z Zy‡j †bIqvi
welqwU miKvi †Kv‡bvfv‡eB ei`vkZ Kiv n‡ebv|
kvi`xq Drm‡e miKvi mviv‡`‡k ch©vß wbivcËv e¨e¯’v MÖnY
K‡i‡Q e‡jI Rvbvb wZwb| Gmgq wWGgwc Kwgkbvi †ebwRi Avn‡g`mn cywj‡ki EaŸ©Zb
Kg©KZ©viv Dcw¯’Z wQ‡jb|
Year-19 # Issue-35 # 14 October 2012
মিশর চট্টগ্রাম
অঞ্চলে বিনিয়োগে আগ্রহী
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
মিশরের রাষ্ট্রদূত মাহমুদ ইয়াহিয়া মুহামেদ ইজ্জাত চট্টগ্রামকে আলেকজান্দ্রিয়ার সাথে তুলনা
করে বলেছেন, Èমিশর এ
অঞ্চলের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। বাংলাদেশে বিনিয়োগ উপযোগী পরিবেশ বিদ্যমান।'
গতকাল
শনিবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালকদের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে মিশর
রাষ্ট্রদূত এ কথা
বলেন। রাষ্ট্রদূত দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে সম্ভাব্য উন্নতি সাধনে উভয়
দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সফর
বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন
এবং এ লক্ষ্যে শিগগির চিটাগাং চেম্বারের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলকে মিশর সফরের
আমন্ত্রণ জানান। এ সময়
মালদ্বীপের সাবেক ইমিগ্রেশন প্রতিমন্ত্রী আবদুল্লাহ শাহিদ ও
হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি মোহামেদ তাহসীন, মালয়েশিয়ার ফ্ল্যাগ ইভেন্ট ডিরেকটর দাতিন সান্দ্রা আননেরাজ, মাসের গ্যাস
বারহার্ড'র এক্সিকিউটিভ ডিরেকটর ডাটো এম
রাম নায়ার, ভুটান
দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব
মিশন কারমা এস
টিশসার, লন্ডনের আলফি গ্রুপের রিচ খান, সিসিএ
এডভারটাইজিংয়ের সুরেশ কুমার
রাজাধুরাই ও দক্ষিণ কোরিয়ার অনারারি কনসাল রিয়াদ
আলী উপস্থিত ছিলেন।
চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে এদেশে মিশরীয় বিনিয়োগ আনতে রাষ্ট্রদূতের ব্যক্তিগত
উদ্যোগ প্রত্যাশা করেন। এ
প্রসঙ্গে তিনি বিশ্বের নবম বৃহত্তম রফতানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা সিইপিজেড, কেইপিজেড ও বেসরকারি কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রামে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করছে বলে
উলে্লখ করেন। চেম্বার সভাপতি রাষ্ট্রদূতকে চেম্বারের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার সম্পর্কেও অবহিত করেন।
চেম্বারের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম রাষ্ট্রদূতকে পর্যটন,
আইসিটি এবং আরএমজি খাতে বিনিয়োগের অনুরোধ জানান।
তিনি
বাংলাদেশের সহজলভ্য শ্রমশক্তির সুবাদে এসব খাতে
বিনিয়োগ অত্যন্ত লাভজনক হবে বলে
মত প্রকাশ করেন।
চেম্বার সহ-সভাপতি নুরুন নেওয়াজ সেলিম দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়নের ক্ষেত্রে উত্পাদনশীল খাতগুলোর সর্বোচ্চ ও সঠিক
ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা শেষে মিশরের রাষ্ট্রদূতের হাতে চেম্বারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক (ক্রেস্ট) তুলে দেন
মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম। এ সময় চেম্বারের পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ,
জহিরুল ইসলাম চেৌধুরী (আলমগীর), মোহাম্মদ শাহিন আলম,
মো. অহীদ সিরাজ
চেৌধুরী (স্বপন), মোরশেদ আরিফ চেৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)